প্রত্যেকে যে যার মতো করে কি-বোর্ড ব্যবহার করলেও টাইপিং করার কিছু নিয়ম-নীতি আছে, যেগুলো মেনে চললে দ্রুত টাইপ করা যায়।
আরামদায়ক জায়গা
দ্রুত টাইপ করার জন্য চাই উপযোগী ও স্বস্তিকর জায়গা। খোলামেলা ও আরামদায়ক জায়গা হলে দ্রুত টাইপ করতে সুবিধা হয়। ল্যাপটপ বা কি-বোর্ড নিয়ে দ্রুত টাইপ করতে গেলে তা কোলের ওপর রাখার চেয়ে টেবিলের ওপর রেখে করলে দ্রুত কাজ হবে।
ঠিক হয়ে বসা
ঠিক হয়ে বসাটা জরুরি। সোজা হয়ে বসে কবজি যাতে কি-বোর্ড বরাবর থাকে, এদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এতে আঙুল কি-গুলোতে ঠিকমতো চালাতে পারবেন। বেশি ঝুঁকে টাইপ না করাই ভালো। আরামদায়ক উচ্চতায় বসে টাইপ করলে দ্রুত টাইপ করা যাবে।
হাত সঠিক স্থানে রাখুন
কি-বোর্ডের ওপর ঠিকমতো হাত না রাখার ফলে দ্রুত টাইপ করা যায় না। ভুলভাবে কি-বোর্ডের ওপর হাত রাখার ভুলটিই বেশি দেখা যায়। তাই কি-বোর্ডে আঙুল রাখার নিয়মটি মনে রাখতে পারেন। বাঁ হাতের তর্জনীতে রাখুন ‘এফ’ কি, মধ্যমাতে ‘ডি’, অনামিকায় ‘এস’, কড়ে আঙুলে ‘এ’। ডান হাতের তর্জনী রাখুন ‘জে’, মধ্যমায় ‘কে’, অনামিকায় ‘এল’ ও কড়ে আঙুল রাখুন ‘সেমিকোলন’ কিতে। বাঁ ও ডান হাতের বৃদ্ধাঙ্গুল রাখুন স্পেস বারে।
অনুশীলন শুরু
আঙুল ঠিকমতো রাখার পর বিভিন্ন শব্দ টাইপ করতে থাকুন। অনুশীলন চালিয়ে যান। শুরুতে যে কি-গুলোতে আঙুল রেখেছেন, তা চেপে টাইপ শুরু করুন। ‘এএসডিএফ’ এরপর স্পেস দিয়ে ‘জেকেএল’, এরপর বড় হাতের অক্ষরে এগুলো টাইপ করার চেষ্টা করুন।
এরপর নিচের সারির কি-গুলোতে আঙুল রেখে এই কি-গুলো টাইপ করুন। একই সঙ্গে ওপরের সারিতে আঙুল রেখে ওই কি-গুলো টাইপ করার চেষ্টা করুন। এবার কি-বোর্ডের দিকে না তাকিয়েই কি-গুলো চেপে টাইপ করার চেষ্টা করতে পারেন।
টাচ টাইপিং শেখা
শুরুতে টাচ টাইপিংয়ের দক্ষতা খুব কঠিন মনে হতে পারে। কিন্তু একবার দক্ষ হয়ে গেলে টাচপ্যাড ব্যবহার করে সবচেয়ে দ্রুত টাইপ করা যায়। টাচ টাইপ শিখতে খুব ধীরে কি-বোর্ডের দিকে না তাকিয়ে অনুশীলন শুরু করুন। ধীরে ধীরে আপনার টাইপের গতি বাড়ান। শুরুতে কঠিন মনে হলেও লেগে থাকুন। ধীরে ধীরে দ্রুত টাইপ শিখে যাবেন।
অনুশীলন চালিয়ে যান
দ্রুত টাইপ শেখার জন্য অনুশীলনের বিকল্প নেই। যত টাইপ করবেন, তত দ্রুত ও নির্ভুল টাইপ করা শিখে যাবেন। তবে এ জন্য ধৈর্য থাকতে হবে।

Post a Comment